Tuesday , 14 July 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট প্রকাশ কবে?

প্রতিবেদক
Newsdesk
July 14, 2026 9:06 pm

অপরাধচিত্র ডেস্ক : নতুন অর্থবছর শুরু হলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রত্যাশিত নতুন পে স্কেলের গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি। ফলে বেতন বৃদ্ধি, ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন, ভাতা সংযোজন ও অবসর-সুবিধা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা।

সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শেষ সপ্তাহের মধ্যে গেজেট প্রকাশ হতে পারে, যদিও নতুন বেতন কাঠামোর কার্যকারিতা ১ জুলাই থেকেই গণনা করা হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় পে স্কেলের চূড়ান্ত গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রক্রিয়াটি মূলত সরকারের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কারিগরি রূপরেখা প্রণয়নের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের হাই-প্রোফাইল সচিব কমিটি বর্তমানে এই গেজেট চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

পে স্কেলের গেজেট বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত হয়।

প্রথমে বেতন কমিশন ও সচিব কমিটি সুপারিশ তৈরি করে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয় এটি পর্যালোচনা করে। এরপরের ধাপে মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। সবশেষে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং বা আইনি যাচাই শেষে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে নানা ধরনের জটিলতায় এর গেজেট প্রকাশ পিছিয়ে যাচ্ছে। যদিও সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী জুলাই থেকেই এটি বাস্তবায়ন হবে। বেতন কমিশনের সুপারিশ, সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের প্রভাব এবং ভাতা কাঠামো—সবকিছু সমন্বয় করতে গিয়েই জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এটি কোনো নীতিগত বিলম্ব নয়; বরং প্রশাসনিক, আর্থিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেই সময় লাগছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আর্থিক সংকটের কারণে পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া পে-স্কেলের সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়নের সুযোগ দেখছে না সরকার।

রাজস্ব আয়ের চাপ, বাজেট ঘাটতি, ঋণ পরিশোধের দায় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় প্রস্তাবিত কাঠামোর বিভিন্ন অংশ পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। বিভিন্ন গ্রেডের মূল বেতন, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ কয়েকটি ভাতা ও সুযোগ সুবিধায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সরকারের নীতিগত অবস্থান হলো, নবম পে স্কেল কার্যকর ধরা হবে ১ জুলাই থেকে। ফলে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হলে ওই তারিখ থেকেই বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয় করা হবে।

চলতি অর্থবছরে মূল বেতন কার্যকর করা হতে পারে। এরপর আগামী অর্থবছরের শুরুতে বাড়িভাড়া এবং একই অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে, অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।

এ ছাড়া সচিব কমিটির আলোচনায় গ্রেড ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত কর্মচারীদের মূল বেতন ও ভাতা তুলনামূলক বেশি এবং গ্রেড ১ থেকে ১০ পর্যন্ত কম হারে বৃদ্ধির সুপারিশের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। এর আগে সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ থাকলেও বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতির কারণে তা পুরোপুরি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম বলে জানা গেছে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সফটওয়্যার হালনাগাদ, হিসাবরক্ষণ, পেনশন পুনর্নির্ধারণ এবং বেতন সমন্বয়সহ বেশ কিছু প্রযুক্তিগত জটিলতাও রয়েছে। এসব বিষয় কীভাবে সহজ করা যায়, তা নিয়েও কাজ করছে পুনর্গঠিত সচিব কমিটি।

সর্বশেষ - রাজনীতি