শুক্রবার , ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনে ১০ মার্চ বগুড়া যাবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক
Newsdesk
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ ৭:৪৯ অপরাহ্ণ

বগুড়া প্রতিনিধি :

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে আগামী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া একটার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় এলাকায় অবস্থিত শাহ সুলতান বলখী (রহ.) এর মাজার প্রাঙ্গণে নামাজের আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের ঘোষিত সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের সূচনা হবে বগুড়া থেকেই। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এটি হবে বগুড়ায় প্রথম সরকারি সফর। সফর ঘিরে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে নির্বাচিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্ভাব্য সুফলভোগী পরিবার চিহ্নিত করতে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দরিদ্র, হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের প্রকৃত চিত্র নির্ধারণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সমন্বয়ে যাচাই-বাছাই চলছে।

কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসককে সভাপতি করে জেলা পর্যায়ে এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি করে উপজেলা পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও মনিটরিং ও বাস্তবায়ন কমিটি করা হয়েছে, যাতে উপকারভোগী নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।

জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রতিটি পরিবার মাসে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে। পরিবারের একজন নারী সদস্যকে কার্ডধারী হিসেবে নিবন্ধন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির নারীদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং পরিবারভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

একটি ওয়ার্ডে যত পরিবার নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী যোগ্য বিবেচিত হবে, তাদের সবাইকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। চার মাস মেয়াদি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হবে। সফলতা পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এ কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

সর্বশেষ - রাজনীতি