বৃহস্পতিবার , ৫ মার্চ ২০২৬ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. খুলনা
  7. খেলাধুলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জাতীয়
  10. জেলার খবর
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. প্রবাসের কথা
  14. বরিশাল
  15. বিনোদন

চোরাচালানের ছবি তোলা দায়ে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও প্রেস কার্ড ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ

প্রতিবেদক
Newsdesk
মার্চ ৫, ২০২৬ ৮:৪২ অপরাহ্ণ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : 
নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় নির্বাচনের পরপরই কলমাকান্দা সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারিরা নতুন কৌশলে সক্রিয় হয়েছে। আগে যেখানে বড় চালানে ভারত থেকে ভারতীয় নিষিদ্ধ পণ্য ও মাদক প্রবেশ করানো হতো দেশে, বর্তমানে তা প্রকাশ্যে দিন দুপুর এবং রাতে ছোট চালানের মাধ্যমে দেশে আনা হচ্ছে। এসব চালান পরিবহনে ব্যবহার করা হচ্ছে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল, যা বাজারের স্বাভাবিক যানবাহনের সঙ্গে মিশে সহজে নজর এড়িয়ে চলাচল করতে সক্ষম। সীমান্ত অতিক্রমের পর এসব পণ্য দ্রুত আশপাশের বাজার ও আড়তে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।

গত  সোমবার (২ মার্চ ) দুপুর ১২:৪৫ ঘটিকার সময়, রূপসী বাংলা টেলিভিশনের সাংবাদিক ইমরান ফকির কলমাকান্দা পূর্ব বাজারের ‘ভাই ভাই হেয়ার কাটিং সেলুন’-এর সামনে অবস্থান নেন। সন্দেহভাজন চোরাচালানবাহী যানবাহনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে থাকা অবস্থায় তিনি একাধিক ভারতীয় অন্য পরিবহনের গাড়ির ভিডিও ধারণ করেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইমরান অভিযোগ করে বলেন, ভিডিও ধারণের সময় স্থানীয় ছত্রমপুর গ্রামের (ছত্রমপুর মাদ্রাসা পূর্ব পাশে বাড়ি। বর্তমান বসবাস কলমাকান্দা শহরের পূর্ব বাজার ইটখোলা রোড মুসলিম ডাক্তারের বাড়ি সংলগ্ন মসজিদের পাশে ) মোহাম্মদ সোহাগ মন্ডল পিতা: ফজর আলী মন্ডল উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকের পরিচয়পত্র দেখতে চান। পরিচয়পত্র দেখানোর পরপরই তিনি সাংবাদিকের প্রেস কার্ড ছিনিয়ে নেন, যা আইনগতভাবে অনুমোদিত নয়। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, সাংবাদিকদের প্রেস পরিচয়পত্র সরকার অনুমোদিত এবং তা ধার্য কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার করা হয়। অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রেস কার্ড অধিকারীকে বাধা বা হুমকি দিতে পারবে না।

পরে সোহাগ মন্ডল ও তার ছোট ভাইসহ অন্য চোরাকারবারি রা সাংবাদিকের দিকে একাধিকবার আক্রমণাত্মক আচরণ করেন, মারধরের চেষ্টা করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালমন্দকরে। একই সঙ্গে প্রাণনাশে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বলা হয়, ভবিষ্যতে যেন কোনদিন চোরাচালান সংক্রান্ত ভিডিও ধারণ না করা হয় এবং কলমাকান্দা এলাকায় সাংবাদিকতা না চালায়।

কলমাকান্দা পূর্ব বাজারে মোঃ সোহাগ মন্ডলের “মেসার্স তামিম এন্টারপ্রাইজ” নামে একটি মুদির দোকান রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এখানে নিয়মিত ভারতীয় পণ্য মজুদ ও বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রসাধনী সামগ্রী, চিনি, জিরা, মসলা এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য। দোকানটি সীমান্তের কাছে থাকায় ভারত থেকে আসা এসব পণ্য সহজেই বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, দোকানটি সাধারণ বিক্রির পাশাপাশি সীমান্ত চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত কার্যক্রমেও সরাসরি নজর আকর্ষণ করছে।

সচেতন মহল বলছেন, সীমান্তে মাদকসহ নানা ভারতীয় পন্যের চোরাচালানের এই প্রবণতা আইনশৃঙ্খলার জন্য উদ্বেগজনক। স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে চোরাচালান দমনে কার্যকর নজরদারি করা সম্ভব হয়।

তারা আরও জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকা ও বাজারে পর্যাপ্ত নজরদারি না হলে ভারতীয় পণ্য ও মাদক প্রবেশের প্রবণতা আরও বেড়ে যেতে পারে। এদিকে কল মাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানালে তিনি বলেন প্রয়োজন মনে হলে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্তা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ - রাজনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত