Friday , 10 July 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি ও প্রকৃতি
  12. ক্রীড়াঙ্গন
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. গাইবান্ধা

বাঁধ ভেঙে ২৫ গ্রামের বেশি প্লাবিত; অবৈধ বালু উত্তোলনকে দায়ী স্থানীয়দের

প্রতিবেদক
Newsdesk
July 10, 2026 6:31 pm

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে অন্তত ২৫টির বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। আকস্মিক এ ঘটনায় রাতের আঁধারেই পরিবার-পরিজন ও গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে হয় হাজারও মানুষকে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধে প্রায় ১০০ ফুটজুড়ে ভাঙন দেখা দেয়। মুহূর্তের মধ্যে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হতে শুরু করে।

রাতেই নোয়াবাদ, চরহামুয়া, আদ্যপাশা, বনগাঁও, কালীগঞ্জ, সুঘর, কটিয়াদিসহ আশপাশের অন্তত ২৫টির বেশি গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়। অনেকেই ভাঙা বাঁধের ওপর, স্থানীয় স্কুল ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় আশ্রয় নেন।

এদিকে হবিগঞ্জ-মিরপুর আঞ্চলিক সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রাতেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে উপজেলা প্রশাসন ওই সড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে।

কালীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘নদী থেকে সারা বছর বালু উত্তোলন করা হয়েছে। এতে বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে পানির চাপ বাড়তেই বাঁধ ভেঙে গেছে। কয়েকজনের লাভের কারণে এখন হাজার হাজার মানুষকে বিপদে পড়েছে।’

লস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান কাউছার বলেন, ‘বারবার বাধা দেয়া হলেও বালুখেকোদের থামানো যায়নি। এখন পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ঘরের আসবাবপত্র সবর নষ্ট হয়ে গেছে। মাঠে ধান, বেগুন, কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন ফসল পানিতে ভেসে গেছে। অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।’

বৈদ্যার বাজার এলাকার বাসিন্দা ফাহিমা খাতুন বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। তিন সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালাই। একখানি জমিতে মরিচ চাষ করেছিলাম। একটা মরিচও বিক্রি করতে পারিনি। সব পানিতে তলিয়ে গেছে। ঘরের জিনিসপত্রও নষ্ট হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘মসজিদের ছাদে আমরা আশ্রয় নিয়েছি। গতকাল রাত থেকে কোন খাওয়া-দাওয়া নেই। কেউ এসে আমাদের দেখেওনি।’

এদিকে রাতের পর থেকেই নদীর পানি কমতে শুরু করে। শুক্রবার সকালে খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে নেমে এলে লোকালয় থেকেও ধীরে ধীরে পানি নামতে থাকে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেয়া অনেক পরিবার নিজ নিজ ঘরে ফিরতে শুরু করে।

তবে স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ভাঙা বাঁধ মেরামত না করা হলে আবারও পানি বৃদ্ধি পেলে পুরো এলাকা নতুন করে প্লাবিত হতে পারে। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হয়নি বলে জানিয়েছেন তারা।

দুপুরে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য, হুইপ আলহাজ জি কে গউছ। এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

সাবেক দুই আইজিপি রিমান্ডে : নিজেকে নির্দোষ দাবি শহীদুলের, চুপ ছিলেন মামুন

নগর ভবনে বিএনপিপন্থি দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিককে হুমকি

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপি জনগণকে সরকার পতনের উসকানি দিচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫০ অভিবাসনপ্রত্যাশীর নিখোঁজ

সব ধরনের খেলাধুলার প্রতি বিশেষভাবে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

লটারি বাদ, ফিরছে ভর্তি যুদ্ধ

বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি হচ্ছে মানুষকে পুড়িয়ে মারার রাজনীতি : প্রধানমন্ত্রী

ট্রাইব্যুনালে হাজির সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর

শাহরুখ খানকে হত্যার হুমকি