নুরুল আমিন, সীমান্ত প্রতিনিধি(কক্সবাজার):কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন উৎপন্ন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২ ডব্লিউতে সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি। এ সময় তিনি বর্জ্য সংগ্রহ, ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
পরে ক্যাম্প-৪ এক্সটেনশন এলাকায় প্রস্তাবিত প্লাস্টিক বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের স্থান পরিদর্শন করে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নেন তিনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হওয়ায় এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্লাস্টিক বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না হলে মাটি ও পানিদূষণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্জ্যকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বর্জ্যকে শুধু সমস্যা হিসেবে না দেখে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পদে পরিণত করতে হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে একদিকে ক্যাম্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চাপ কমবে, অন্যদিকে বর্জ্য থেকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
পরিদর্শনকালে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন। এ সময় জনপ্রতিনিধি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের কর্মকর্তা এবং প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

















