Sunday , 2 August 2026 |
  1. অপরাধ
  2. অপরাধচিত্র বিশেষ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. কক্সবাজার
  7. কিশোরগঞ্জ
  8. কুড়িগ্রাম
  9. কুমিল্লা
  10. কুষ্টিয়া
  11. কৃষি ও প্রকৃতি
  12. ক্রীড়াঙ্গন
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. গাইবান্ধা

উপকূলীয় অঞ্চলে সহনশীলতা বাড়াতে জাতীয় পরামর্শ সভা

প্রতিবেদক
Newsdesk
August 2, 2026 6:01 pm

অপরাধচিত্র ডেস্ক: বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় প্রকৃতিনির্ভর কার্যক্রমের অগ্রাধিকার নির্ধারণে দুই দিনব্যাপী জাতীয় কারিগরি পরামর্শ সভা শুরু হয়েছে।

২ আগস্ট রবিবার রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় ‘সহনশীল উপকূলীয় বাংলাদেশের জন্য প্রকৃতিনির্ভর কার্যক্রমের অগ্রাধিকার নির্ধারণ’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করা হয়।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং ফ্রেন্ডশিপ ও কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং সম্মানীয় অতিথি ছিলেন প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য উপস্থাপন করেন কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ মালহোত্রা।

প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনাল ও ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন। জীবিকা নির্বাহের জন্য তাদের প্রতিনিয়ত প্রকৃতির প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি দেখেছি, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবারই গভীর আগ্রহ রয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কীভাবে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা যায়। উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা কাজ করছে। কিন্তু সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করলেই কেবল এসব উদ্যোগ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ হবে।’

ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান বলেন, ‘অর্থ, পরিকল্পনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানকে একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় এনে নীতি, পরিকল্পনা, অর্থায়ন, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের কাজগুলো সমন্বিতভাবে করতে হবে। এই কাঠামোর নেতৃত্বে একটি সুস্পষ্ট প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে এবং কোন সংস্থা ঠিক কী দায়িত্ব পালন করবে, সেটিও পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা জরুরি।’

কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ মালহোত্রা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীকে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে। ম্যানগ্রোভ বন পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ এই প্রচেষ্টার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি যেমন একদিকে জলবায়ুজনিত ঝুঁকি কমায়, অন্যদিকে জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা টিকিয়ে রাখতেও প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।’

দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলগুলো এবং যেসব এলাকায় ম্যানগ্রোভ পুনরুদ্ধার সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, সেগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে চিহ্নিত করা হবে।

অংশগ্রহণকারী ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন ভৌগোলিক মানচিত্র, বৈজ্ঞানিক তথ্য ও উপাত্ত পর্যালোচনা করছেন। যার ভিত্তিতে তারা অগ্রাধিকারভিত্তিক এলাকা নির্ধারণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, প্রতিবেশভিত্তিক জীবিকা, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রস্তুতি, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের প্রাপ্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করছেন।

কর্মশালাটি ‘মাউন্টেনস টু ম্যানগ্রোভস’ উদ্যোগের অংশ। এর শেষ পর্বে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব, পরবর্তী কার্যক্রম, সমন্বয় কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ কারিগরি সহযোগিতার অগ্রাধিকার নির্ধারণের মাধ্যমে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ - অপরাধচিত্র বিশেষ

আপনার জন্য নির্বাচিত
Share via
Copy link