Wednesday , 6 May 2026 |
শিরোনাম:

মির্জাগঞ্জে ফিরোজ আলম গোলদারের সমর্থনে মতবিনিময় সভা, উন্নয়নের আশ্বাস

টেকনাফে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে ছাত্রদল নেতার বড় ভাইকে অপহরণের অভিযোগ

নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-মেয়ের মৃত্যু, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন মা-ছেলে

টেকনাফে পৃথক অভিযানে আনুমানিক ৯ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪

আইডিইবির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন প্রকৌশলী রেজা

শরণখোলায় ভাড়া বাসায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ, নিখোঁজ সঙ্গে থাকা ব্যক্তি

প্রবাসীর বাড়ির প্রবেশপথে বেড়া দেওয়ায় চলাচল বন্ধ : অভিযোগ জামায়াত নেতা আবদুল হাই শিকদারের বিরুদ্ধে

  1. অনিয়ন ও দুর্নীতি
  2. অপরাধ
  3. অপরাধচিত্র বিশেষ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কক্সবাজার
  8. কিশোরগঞ্জ
  9. কুড়িগ্রাম
  10. কুমিল্লা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি ও প্রকৃতি
  13. ক্রীড়াঙ্গন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা

হামের ১৫ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদক
Newsdesk
May 6, 2026 3:25 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

হাম ও রুবেলার ১৫ লাখ ডোজ এবং টিটেনাসের ৯০ হাজার ডোজ টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (৬ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউনিসেফ থেকে কেনা টিকা গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে ৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ইউনিসেফকে প্রদান করেছে, যার মাধ্যমে ৯৫ মিলিয়ন ডোজ ১০ ধরনের ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইউনিসেফ গত ৩ মে প্রথম চালানে ১৫ লাখ ৫ হাজার ডোজ আইপিভি ভ্যাকসিন সরবরাহ করে। আজ অতিরিক্ত ১৫ লাখ ডোজ এমআর ও ৯০ হাজার ডোজ টিডি ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে। একই সঙ্গে আগামী ১০ মের মধ্যে আরও প্রায় ১ কোটি ৮ লাখ ডোজ এমআর, টিডি, বিসিজি, টিসিভি, বিওপিভি ও পেন্টা ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছাবে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে তারা এসব টিকা সরবরাহ করবে।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ১৫ মাসের ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরিকল্পনা নিয়েছি, যার মধ্যে ৩ মাসের বাফার স্টক থাকবে। এ প্রক্রিয়াও ইউনিসেফের মাধ্যমে শুরু করা হবে। বর্তমানে আমাদের কাছে টিসিভি ও এইচপিভি ভ্যাকসিনের দুই বছরের পর্যাপ্ত স্টক রয়েছে। নতুন এই সরবরাহের ফলে আগামী ৮ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত অন্যান্য ভ্যাকসিনেও বাংলাদেশে কোনো ঘাটতি থাকবে না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন, ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৭৯ সাল থেকে শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে ১২টি প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ইপিআই বর্তমানে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি সফল কর্মসূচি। গ্যাভি আমাদের ‘ভ্যাকসিন হিরো’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে এই সফল ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইপিআই প্রোগ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে আশার কথা হলো প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইপিআইকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। কারণ এটি শিশুদের জীবন রক্ষার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে ভ্যাকসিন ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যা আমি দায়িত্ব গ্রহণের দুই সপ্তাহের মধ্যে বাতিল করি এবং ইউনিসেফকে ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য অনুরোধ করি। সরকার অত্যন্ত দ্রুততার সাথে প্রয়োজনীয় অর্থ ইউনিসেফকে ছাড় করে দিয়েছে।

সর্বশেষ - জেলার খবর