Post Views: 6
অপরাধচিত্র প্রতিনিধি (দিনাজপুর): কখনো নিজেকে পুলিশ, কখনো প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা পরিচয় দিতেন এক যুবক। তিনি দাবি করতেন, ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডার, ৪৭তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডার ও ৪৯তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। নামীদামি ব্র্যান্ডের পোশাক পরে ছবি তুলে নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতেন। এসব ভুয়া পরিচয়ের আড়ালে তাঁর বিরুদ্ধে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
অবশেষে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন ওই যুবক। তাঁর নাম মোশাররফ হোসেন (২৮); বাড়ি দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের নওখৈর গ্রামে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে দিনাজপুর শহরের কালুর মোড় এলাকায় একটি ছাত্রাবাস থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
ছাত্রাবাসের বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোশাররফ নিজেকে ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ওই ছাত্রাবাসে ওঠেন। এ পরিচয়ের কারণে ছাত্রাবাসের ছাত্ররা তাঁকে বেশ সমীহ করতেন। তবে কয়েক দিন আগে তাঁরা জানতে পারেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ছাত্রাবাস ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। মঙ্গলবার ভোরে নিজের মালামাল নিতে ছাত্রাবাসে এলে ছাত্ররা তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর বেরিয়ে আসতে থাকে তাঁর প্রতারণার অভিনব সব গল্প। তবে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসএসসি পাস করেছেন বলে জানান। পরে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, এদিকে মোশাররফের আটকের খবর পেয়ে রাঙামাটি থেকে প্রতারণার শিকার বলে দাবি করা এক তরুণী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দিনাজপুরে এসেছেন। নীলফামারী থেকেও এক তরুণীর অভিভাবক যোগাযোগ করেছেন দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায়। মোশাররফের ব্যবহৃত মুঠোফোনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের দাবি, এসব লেনদেনের পরিমাণ ১০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত।
রাঙামাটি থেকে আসা ওই তরুণী জানান, কয়েক মাস আগে মুঠোফোনে মোশাররফের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। গত মার্চ মাসে মোশাররফ ওই তরুণীকে জানান, তিনি ৪৬তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এখন গেজেটের প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু তাঁর সঙ্গে আগে থেকেই সম্পর্ক থাকা এক তরুণী কিছু বিষয়ে সমস্যা তৈরি করেছেন। রাঙামাটির ওই তরুণীর দাবি, সমস্যা সমাধানের কথা বলে মোশাররফ কয়েক দফায় তাঁর কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়েছেন। মোশাররফ দুইবার তাঁর বাসায়ও গিয়েছেন। এপ্রিল মাসে তাঁর টাকা ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও টাকা পরিশোধ না করে উল্টো মোশাররফ তাঁকে টাকার কথা ভুলে যেতে বলেন। পরে ওই তরুণী কক্সবাজার থানায় মামলা করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোশাররফ বিভিন্ন নারীর সঙ্গে মিথ্যা পরিচয়ে প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরনবী। তিনি বলেন, মোশাররফের বিরুদ্ধে কক্সবাজার থানায় একটি প্রতারণার মামলা রয়েছে। এ ছাড়া নীলফামারী সদর উপজেলায় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিয়ে করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা বিচারাধীন। তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন। সেসব অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
অবশেষে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন ওই যুবক। তাঁর নাম মোশাররফ হোসেন (২৮); বাড়ি দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের নওখৈর গ্রামে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে দিনাজপুর শহরের কালুর মোড় এলাকায় একটি ছাত্রাবাস থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
ছাত্রাবাসের বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোশাররফ নিজেকে ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ওই ছাত্রাবাসে ওঠেন। এ পরিচয়ের কারণে ছাত্রাবাসের ছাত্ররা তাঁকে বেশ সমীহ করতেন। তবে কয়েক দিন আগে তাঁরা জানতে পারেন, তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ছাত্রাবাস ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। মঙ্গলবার ভোরে নিজের মালামাল নিতে ছাত্রাবাসে এলে ছাত্ররা তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর বেরিয়ে আসতে থাকে তাঁর প্রতারণার অভিনব সব গল্প। তবে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসএসসি পাস করেছেন বলে জানান। পরে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, এদিকে মোশাররফের আটকের খবর পেয়ে রাঙামাটি থেকে প্রতারণার শিকার বলে দাবি করা এক তরুণী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দিনাজপুরে এসেছেন। নীলফামারী থেকেও এক তরুণীর অভিভাবক যোগাযোগ করেছেন দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায়। মোশাররফের ব্যবহৃত মুঠোফোনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের দাবি, এসব লেনদেনের পরিমাণ ১০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত।
রাঙামাটি থেকে আসা ওই তরুণী জানান, কয়েক মাস আগে মুঠোফোনে মোশাররফের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। গত মার্চ মাসে মোশাররফ ওই তরুণীকে জানান, তিনি ৪৬তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এখন গেজেটের প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু তাঁর সঙ্গে আগে থেকেই সম্পর্ক থাকা এক তরুণী কিছু বিষয়ে সমস্যা তৈরি করেছেন। রাঙামাটির ওই তরুণীর দাবি, সমস্যা সমাধানের কথা বলে মোশাররফ কয়েক দফায় তাঁর কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়েছেন। মোশাররফ দুইবার তাঁর বাসায়ও গিয়েছেন। এপ্রিল মাসে তাঁর টাকা ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও টাকা পরিশোধ না করে উল্টো মোশাররফ তাঁকে টাকার কথা ভুলে যেতে বলেন। পরে ওই তরুণী কক্সবাজার থানায় মামলা করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোশাররফ বিভিন্ন নারীর সঙ্গে মিথ্যা পরিচয়ে প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরনবী। তিনি বলেন, মোশাররফের বিরুদ্ধে কক্সবাজার থানায় একটি প্রতারণার মামলা রয়েছে। এ ছাড়া নীলফামারী সদর উপজেলায় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিয়ে করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা বিচারাধীন। তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন। সেসব অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


















