Thursday , 17 September 2026 |
  1. অনিয়ন ও দুর্নীতি
  2. অপরাধ
  3. অপরাধচিত্র বিশেষ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কক্সবাজার
  8. কিশোরগঞ্জ
  9. কুড়িগ্রাম
  10. কুমিল্লা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি ও প্রকৃতি
  13. ক্রীড়াঙ্গন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা

স্থানীয় সরকার ভোটে অনিশ্চয়তা, মে পর্যন্ত গড়ানোর শঙ্কা

প্রতিবেদক
Newsdesk
September 17, 2026 8:46 am

অপরাধচিত্র প্রতিবেদন: দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নতুন করে সময়ের হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক পরিকল্পনায় আগামী ১২ নভেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপ আয়োজনের কথা থাকলেও শিক্ষা কার্যক্রম, রমজান, ঈদ ও এসএসসি পরীক্ষার কারণে সেই পরিকল্পনা পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আলোচনায় আগামী মে মাসের আগে ভোট শুরু করা কঠিন হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আজ গুরুত্বপূর্ণ আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক:

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ও সময় নির্ধারণ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় স্থানীয় সরকার, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, শিক্ষা, অর্থসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হবে।
নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করার আগে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং শিক্ষা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

নভেম্বরে ভোট নিয়ে জটিলতা:

ইসির প্রাথমিক পরিকল্পনায় ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট আয়োজনের কথা বলা হয়েছিল। এরপর ১৩ ডিসেম্বর, ৩০ ডিসেম্বর এবং আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি ও ৪ ফেব্রুয়ারিসহ কয়েকটি ধাপে ভোট আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখও সামনে আসে। শেষ ধাপের সম্ভাব্য তারিখ রাখা হয়েছিল ২৭ মে। তবে এসব তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয় বলে ইসি জানিয়েছে।
ফলে নভেম্বর থেকে ভোট শুরুর যে ধারণা তৈরি হয়েছিল, আন্তমন্ত্রণালয় আলোচনার পর সেটিতে পরিবর্তন আসতে পারে।

পরীক্ষার সময় বড় বাধা:

ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বরের প্রথম ভাগ পর্যন্ত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা চলার কথা রয়েছে।
নির্বাচনের দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখলেই সমস্যার সমাধান হবে না। ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত, নির্বাচনী সামগ্রী সংরক্ষণ, কর্মকর্তা নিয়োগ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের কারণেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে। ফলে পরীক্ষা চলাকালে ভোট আয়োজন নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রমজান-ঈদের পর এসএসসি:

পরীক্ষার পর সামনে আসছে রমজান ও ঈদ। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু এবং ১০ মার্চ ঈদুল ফিতর হতে পারে।
এর পরপরই শুরু হওয়ার কথা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। অনুমোদিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৪ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা চলার কথা রয়েছে।
ফলে নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দীর্ঘ একটি সময় ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে নানা বাস্তব সীমাবদ্ধতা তৈরি করতে পারে। এ কারণেই মে মাসের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
ইসি বলছে, সবই এখনো প্রাথমিক
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্যে সম্ভাব্য কয়েকটি ধাপের তারিখ সামনে এলেও নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করেছে—এসব এখনো চূড়ান্ত তফসিল নয়।

কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে আলোচনা শেষে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।
অর্থাৎ ১২ নভেম্বর থেকে ভোট শুরু হবে, নাকি সময় আরও পিছিয়ে যাবে—আজকের আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকসহ পরবর্তী আলোচনাগুলোতেই তার একটি পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যেতে পারে।

সরকারের সঙ্গে সমন্বয় নিয়ে আলোচনা:

প্রাথমিক ভোটের তারিখ প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন আয়োজনের আগে প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা, বাজেট ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন।
অন্যদিকে ইসি জানিয়েছে, প্রকাশিত তারিখগুলো ছিল প্রাথমিক পরিকল্পনার অংশ এবং প্রয়োজনীয় মতামত পাওয়ার পর সেগুলো পরিবর্তন বা চূড়ান্ত করা হতে পারে।

জনপ্রতিনিধি পেতে অপেক্ষা বাড়তে পারে:

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে গেলে মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ ও অন্যান্য স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ফেরার সময়ও পিছিয়ে যাবে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক বা বিকল্প ব্যবস্থায় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ফলে ভোটের সময় যত পিছোবে, তত দীর্ঘ হবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি পাওয়ার অপেক্ষা। তবে নির্বাচন ঠিক কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি।

দলীয় প্রতীক থাকছে না:

এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিধান থাকছে না। সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের মাধ্যমে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় ভিন্ন কাঠামোয় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
সব মিলিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন এখন তিনটি বিষয়ের ওপর বিশেষভাবে নির্ভর করছে—শিক্ষা কার্যক্রম, রমজান-ঈদের সময় এবং নির্বাচন আয়োজনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি। এসব বিবেচনায় নভেম্বরের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে, নাকি ভোটের সূচনা আরও পিছিয়ে মে মাসের দিকে যাবে—আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক ও পরবর্তী কমিশন সিদ্ধান্তেই তা স্পষ্ট হবে।

সর্বশেষ - জেলার খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

সেপ্টেম্বরে তিন পথে ঝরেছে ৪৬৫ প্রাণ, বেশি মৃত্যু সড়কে

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৬ বাংলাদেশি

সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদেরকে শিগগিরই আইনের আওতায় আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঘরে বসেই দেখা যাবে পূজা-নিশোর ‘দম’

সংখ্যালঘুরা এখনো ভয় ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে: ঐক্য পরিষদ

ধর্ষণ মামলার তদন্ত ১৫ দিনে এবং বিচার ৯০ দিনের মধ্যে: আইন উপদেষ্টা

পুলিশে বড় রদবদল, একযোগে ১৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন

গাজীপুরে বিএনপির ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১

বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

তিন পার্বত্য জেলা ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা