অপরাধচিত্র ডেস্ক: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আর দলীয় প্রতীক থাকছে না তবে দলীয় প্রতীক না থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সমর্থন দেবে বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ করতে সরকার নির্বাচন কমিশনকে ইসি সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলেও কোনো প্রার্থী কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত, তা স্থানীয় মানুষের কাছে অজানা থাকবে না। তবে এর ফলে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
স্থানী সরকার নির্বাচন নিয়ে দলের কৌশল স্পষ্ট করে মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপি হাইকমান্ড থেকে ইতিমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে, যেন প্রতিটি ইউনিয়নে একক প্রার্থী দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। তবে এসব প্রার্থী দলীয় প্রতীক নিয়ে লড়াই করবেন না; তারা মাঠে লড়বেন ‘বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী’ হিসেবে।
সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিশেষ সুবিধা নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইন অনুযায়ী যোগ্যতা সম্পন্ন যেকোনো বৈধ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। প্রতিটি প্রার্থী যেন নিরাপদে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারেন এবং ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে স্থানীয় থেকে কেন্দ্রীয় প্রশাসন পর্যন্ত ইসিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে। সরকারের বার্তা পরিষ্কার—আইন অনুযায়ী যোগ্য সবাই নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং রাষ্ট্র সবার জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ নিশ্চিত করবে।


















