Wednesday , 16 September 2026 |
  1. অনিয়ন ও দুর্নীতি
  2. অপরাধ
  3. অপরাধচিত্র বিশেষ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কক্সবাজার
  8. কিশোরগঞ্জ
  9. কুড়িগ্রাম
  10. কুমিল্লা
  11. কুষ্টিয়া
  12. কৃষি ও প্রকৃতি
  13. ক্রীড়াঙ্গন
  14. খুলনা
  15. খেলাধুলা

ডিএসসিসিতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের অভিযান

প্রতিবেদক
Newsdesk
September 16, 2026 5:25 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে সহকারী পরিচালক মেহেদী মুসা জেবিন ও উপসহকারী পরিচালক হাবিবুর রহমানের সমন্বয়ে পাঁচ সদস্যের একটি দল অভিযান পরিচালনা করেছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী যোগসাজশে কালো তালিকাভুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মশা নিধনে ভেজাল কীটনাশক সরবরাহ করে অর্থ আত্মসাৎ এবং বাসাবাড়ির বর্জ্য সংগ্রহের কার্যাদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে পাওয়া অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে এই অভযান পরিচালনা করে দুদক।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১১ ও ২০১৯ সালে ভেজাল কীটনাশক সরবরাহের দায়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ‘দি লিমিট অ্যাগ্রো’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চক্রের মূলহোতা মিজানুর রহমান নাম ও প্রতিষ্ঠানের কাঠামো পরিবর্তন করে ‘ফরোয়ার্ড ইন্টারন্যাশনাল’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠান খুলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে কাজ শুরু করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত দুই বছরে ওই প্রতিষ্ঠানকে ডিএসসিসি থেকে তিনটি কার্যাদেশের মাধ্যমে প্রায় ৪৮ কোটি টাকার কীটনাশক সরবরাহের কাজ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় সঠিক মানের কীটনাশক দেখানো হলেও মাঠপর্যায়ে ফগিংয়ের নামে কেবল কেরোসিন ছিটানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের স্টোরকিপার ও অ্যাকাউন্টস শাখার কর্মীদের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগও রয়েছে। সিটি করপোরেশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ফ্ল্যাট থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা বিল নেওয়ার কথা। কিন্তু ধানমন্ডি, আজিমপুর, কাঁঠালবাগান, কায়েতটুলী ও যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ১২০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকেও নেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা।

 

সর্বশেষ - জেলার খবর